ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৩rd জুলাই ২০১৪

সাম্প্রতিক অর্জন

                                         ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় কর্তৃক অর্জিত সাফল্যের তথ্য-উপাত্ত

 

  • মোবাইল ও পিএসটিএন গ্রাহক সংখ্যা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে মোবাইল গ্রাহক সংখ্যা ১০ কোটি ৯১ লক্ষ। পিএসটিএন গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ১৩ লক্ষ ২৩ হাজার এ উন্নীত হয়েছে।

 

  • বর্তমানে দেশের টেলিডেনসিটি প্রায় ৭৩.৫৫% এবং ইন্টারনেট ডেনসিটি প্রায় ২৪% ।

 

  • বেসরকারি খাতে ৬টি প্রতিষ্ঠানকে আইটিসি লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে।

 

  • মহাকাশে বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট (বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১) উৎক্ষেপনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ২০১৬ সালের মধ্যে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপন বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে বলে আশা করা যায়।

 

  • বর্তমান সরকারের আমলে মোট ০৫ টি সরকারি/বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে 3G লাইসেন্স প্রদানের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো -
    ১। গ্রামীণ ফোন লিমিটেড
    ২। রবি আজিয়াটা লিমিটেড
    ৩। বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশন্স লিমিটেড
    ৪। এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেড এবং
    ৫। টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড।

 

  • ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথের চার্জ প্রতি এমবিপিএস ২৭০০০/- টাকা হতে কমিয়ে ৪৮০০/- টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

 

  • ইনফোবাহন প্রকল্পের আওতায় দেশের ৭টি বিভাগীয় শহরসহ ৫৬টি জেলা ও কয়েকটি উপজেলায় মোট ৪৫০০ কি:মি: অপটিক্যাল ফাইবার কেবল নেটওয়ার্ক ও ট্রান্সমিশন যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়েছে।

 

  • মাঠ প্রশাসনের কার্যক্রমে গতিশীলতা আনার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের মধ্যে ভিডিও কনফারেন্সিং সিস্টেম চালু করা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়েও ভিডিও কনফারেন্সিং সিস্টেম স্থাপনের কাজ চলছে।

 

  • ইউনিয়ন তথ্যপ্রযুক্তিকেন্দ্রের জন্য ইতোমধ্যে ৯৩টি উপজেলার ১০৮টি ইউনিয়নে প্রায় ৮৫০ কিমি অপটিক্যাল ফাইবার কেবল স্থাপন করা হয়েছে।

 

  • ‘‘১০০০টি ইউনিয়নে অপটিক্যাল ফাইবার কেবল নেটওয়ার্ক উন্নয়ন’’ প্রকল্পের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ৬৪ টি জেলায় ৯৮ টি উপজেলা হতে ১০০৬ টি ইউনিয়নে প্রায় ১১,০০০ কি: মি: অপটিক্যাল ফাইবার কেবল স্থাপন করা হবে।

 

  • বিটিসিএল থেকে বিটিসিএল টেলিফোনে সারাদেশে কল চার্জ একই রেট (দিনে প্রতি মিনিট ৩০ পয়সা, রাতে প্রতি মিনিট ১০ পয়সা ) করা হয়েছে । বিটিসিএল এর টেলিফোনে একইসাথে সাশ্রয়ী মূল্যে (256 kbps - 300/-) ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট (ADSL) ব্যবহারের জন্য দেশের বিভাগীয় ও অধিকাংশ জেলা শহরে অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে, ফলে টেলিফোন গ্রাহকগণ আধুনিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থাসহ অত্যন্ত সুলভে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারছেন।

 

 

  • ২৫টি দুর্গম পার্বত্য উপজেলাসহ ৪২৫ টি উপজেলা ইতোমধ্যেই টেলিটকের নেটওয়ার্কের আওতায় এসেছে। শীঘ্রই ৪৪৮টি উপজেলা টেলিটকের নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে বলে আশা করা যায়।

 

  • টেলিটকের প্রযুক্তিগত সহায়তায় এসএমএস এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রাথমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা, জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা, এসএসসি, এইচএসসি/সমমান সকল বোর্ড, প্রাথমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক সমাপনী পরীক্ষা, মেডিকেল ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

 

  • টেলিটকের মাধ্যমে এসএমএস পদ্ধতিতে ৩২ টি বিশ্ববিদ্যালয়, ৪০০ কলেজ, ৭০ টি মেডিকেল কলেজসহ মোট ৫০২ টি প্রতিষ্ঠানের ১৪,০০,০০০ জন ছাত্র/ছাত্রী এসএমএস পদ্বতিতে শুধুমাত্র ২০১২ সালেই প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফরম পূরণ ও ফি প্রদান করেছে।

 

  • বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনে টেলিটকের সহায়তায় এক যুগান্তকারী অধ্যায় সূচিত হয়েছে। বিসিএস চাকুরির জন্য টেলিটক অনলাইন এবং এসএমএস এর মাধ্যমে আবেদন জমা, ফি গ্রহণ এবং ফলাফল প্রদান পদ্ধতি চালু করেছে।

 

  • ইন্টারনেটের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা বিবেচনা করে সাবমেরিন ক্যাবলের ব্যান্ডউইথ ক্যাপাসিটি ৪৪.৬ হতে ২০০ জিবিপিএস-এ উন্নীত হয়েছে।

 

  • বাংলাদেশ দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল সংযোগের জন্য SEA-ME-WE-5 কনসোর্টিয়ামে যুক্ত হয়েছে। দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল এ সংযুক্ত হওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ ৭০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ্ অর্জন করতে সক্ষম হবে।

 

 

  • পোস্ট অফিসের মাধ্যমে মোবাইল মানি অর্ডার সার্ভিস প্রদান করা হয়েছে। বর্তমানে সমগ্র দেশে ২৭৫০ টি বিভিন্ন শ্রেণীর ডাকঘরে (সকল জেলার প্রধান ডাকঘর, সকল উপজেলা ডাকঘর ও নির্বাচিত কিছু ডাকঘরে) এ সার্ভিসটি চালু রয়েছে।

 

  • দেশে ৮৩৮টি ডাকঘরে পোস্টাল ক্যাশ কার্ড সার্ভিস প্রদান করা হচ্ছে। বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে স্থানীয় সরকার বিভাগ ১৪,১২৭টি অতি দরিদ্র পরিবারকে পোস্টাল ক্যাশ কার্ডের মাধ্যমে ভাতা পরিশোধ করেছে।

 

  • ৮০০০টি গ্রামীণ পোস্ট অফিস এবং ৫০০টি উপজেলা ডাকঘরকে ই-সেন্টার হিসেবে রুপান্তরের কাজ শুরু করা হয়েছে।

 

  • ‘‘তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর গ্রামীণ ডাকঘর নির্মাণ’’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সারা বাংলাদেশে ১,০০০টি গ্রামীণ ডাকঘর ভবন নির্মাণ করা হবে। উক্ত ভবনগুলির একটি কক্ষে ডাকঘর এবং অপর কক্ষে Post e-centre স্থাপন করা হবে।

 

 

  • সরকারী মালিকানাধীন টেলিফোন শিল্প সংস্থার মাধ্যমে দেশে ল্যাপটপ কম্পিউটার, পিএসটিএন সেট, মোবাইল ব্যাটারী চার্জার, ইলেক্ট্রিক ডিজিটাল মিটার (বিদ্যুৎ খাতের জন্য) সংযোজন এবং বাজারজাত করা হচ্ছে।

 

 

  • খুলনাস্থ বাংলাদেশ কেবল শিল্প লিমিটেড-এ অপটিক্যাল ফাইবার কেবলের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করা হয়েছে। বিটিসিএলসহ দেশের সরকারি/ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এ কেবল সরবরাহ করা হচ্ছে।

Share with :

Facebook Facebook